অনলাইনে জমির খতিয়ান/পর্চা ডাউনলোড
সম্মানিত পাঠক, আস্সালামুআলাইকুম।
অনলাইনে জমির খতিয়ান ডাউনলোড করার জন্য যা যা লাগবেঃ
- ইন্টারনেট সংযোগ সহ একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ।
- যে ব্যক্তির খতিয়ান ডাউনলোড করবেন তার কিছু ব্যক্তিগত তথ্য।
- জায়গার মালিকের বা অন্য কারোর জাতীয় পরিচয়পত্র ও ফোন নাম্বার।
- ফি প্রদানের জন্য বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় অথবা ইপে একাউন্টে ১০০ টাকা।
অনলাইনে জমির খতিয়ান ডাউনলোড করার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
ধাপ -১ঃ ওয়েব সাইটে প্রবেশ
আপনার ডেক্সটপ/কম্পিউটার থেকে ক্রোম ব্রাউজার ওপেন করুন। করার পর টাইপ করুন eporcha.gov.bd অথবা এখানে চাপুন
চাপ দিলে আপনার সামনে নিম্নে প্রদর্শিত ছবির মত একটি পেইজ ওপেন হবে। এই পেইজে চারটা অপশন দেখাবে তার মধ্যে ২য় ও ৩য় অপশন দুইটার নাম “সার্ভে খতিয়ান” ও “নামজারি খতিয়ান”। যেহেতু আমরা খতিয়ান ডাউনলোড করব তাই আমাদের কাজ এই দুইটি অপশন নিয়ে।
ধাপ -২ঃ খতিয়ানের ধরণ নির্ধারণ
এখন প্রশ্ন হচ্ছে আপনার কোন ধরনের খতিয়ান দরকার? সার্ভে খতিয়ান নাকি নামজারি খতিয়ান। যদি সার্ভে খতিয়ান প্রয়োজন হয় তাহলে “সার্ভে খতিয়ান” অপশনে ক্লিক করুন। আর যদি নামজারি খতিয়ান প্রয়োজন হয় তাহলে “নামজারি খতিয়ান” অপশনে ক্লিক করুন।
আজকে আমরা সার্ভে খতিয়ান ডাউনলোড করা দেখব। যদিও সার্ভে খতিয়ান ও নামজারি খতিয়ান দুইটারই ডাউনলোড প্রক্রিয়া একই। সার্ভে খতিয়ান ডাউনলোড করার জন্য আমরা “সার্ভে খতিয়ান” অপশনটিতে ক্লিক করছি।
ধাপ -৩ঃ ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান
সার্ভে খতিয়ানে ক্লিক করার পর নিচের ছবির মত একটি পেইজ দেখাবে। যেখান থেকে আপনাকে যথাক্রমে আপনার বিভাগ, জেলা, উপজেলা, খতিয়ানের ধরন, মৌজা সিলেক্ট করতে হবে। সিলেক্ট করার পর খতিয়ানের তালিকা দেখাবে। “খতিয়ানের তালিকা” ঘরে আপনার নাম ও খতিয়ান নাম্বার দেখতে পাবেন। আপনার নাম ও খতিয়ান নাম্বার প্রদর্শিত অপশনে ডাবল ক্লিক করুন।
ডবল ক্লিক করার পর নিম্নে প্রদর্শিত পেইজটির মত একটি পেইজ ওপেন হবে। পেইজটিতে আপনার কাঙ্কিত খতিয়ানের দাগ নাম্বার দেখাবে।
ধাপ -৪ঃ খতিয়ান ডাউনলোড প্রক্রিয়া
এখন আপনি যদি খতিয়ানটি ডাউনলোড করতে চান তাহলে “খতিয়ান আবেদন” বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ -৫ঃ জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্য প্রদান
এনআইডি কার্ড নম্বর, জন্ম তারিখ এবং মোবাইল নাম্বার দেওয়ার পর যাচাই করুন অপশনে ক্লিক করলে এনআইডি কার্ড অনুযায়ী আপনার নাম ঠিকানা দেখাবে। তার একটু নিচেই নিচের ছবির মত “অনলাইন কপি” ও “সার্টিফাইড কপি” নামে দুটি অপশন দেখাবে। অনলাইন কপি অপশনে ক্লিক করলে খতিয়ানটি তাতক্ষনিক ডাউনলোড করতে পারবেন। কিন্তু সার্টিফাইড কপি অপশনে ক্লিক করলে ৭ দিন সময় লাগবে। ৭ দিন পর খতিয়ানটি আপনার ঠিকানায় ডাকযোগে পাঠেনো হবে বা তাদের অফিস থেকেও আপনি সংগ্রহ করতে পারবেন। দেশের বাইরে থেকেও চাইলে সংগ্রহ করা যেতে পারে, সেক্ষেত্রে ডাকযোগে সিলেক্ট করে আপনার ঠিকানা প্রদান করুন। উভয় ক্ষেত্রে ফি ১০০ টাকা।
ধাপ -৬ঃ ফি প্রদান
ফি পরিশোধ করার জন্য বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় ও ইপে নামক পেমেন্ট গেটওয়ে দেখতে পাবেন যার মধ্য থেকে যে কোন একটির সাহায্যে ফি প্রদান করতে পারবেন। ফি প্রদানের জন্য আমরা উপায় সিলেক্ট করছি।
উপায় সিলেক্ট করার পর নিচের দিকে কিছু সংখ্যা দেখাবে যা যোগ বা বিয়োগ করতে বলবে। যোগ করতে বললে যোগ ও বিয়োগ করতে বললে বিয়োগ করার পর ফলাফলটি ফলাফলের ঘরে বসাতে হবে। ফলাফল বসানোর পর ডান কোনায় থাকা “পরবর্তি ধাপ ফি পরিশোধ” বাটনে চাপ দিন।
পেমেন্ট successful হওয়ার পর আপনার কাঙ্কিত খতিয়ানের সমস্ত ইনফরমেশন চলে আসবে। মালিকের নাম, জমির পরিমাণ, জমির শ্রেণী, দাগ নাম্বার ইত্যাদি দেখাবে। এবার এই খতিয়ানটি ডাউনলোড করতে চাইলে উপরে ডানপাশে একটি ডাউনলোড আইকন দেখতে পাবেন। সেটিতে ক্লিক করে খুব সহজেই আপনার কম্পিউটারে আপনার কাঙ্কিত খতিয়ানটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন এবং পরবর্তিতে যে কোন কম্পিউটারের দোকন বা প্রিন্টার থেকে প্রিন্ট করে নিতে পারবেন।


.png)
.png)
.png)
.png)
.png)
.png)
.png)
.png)